রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রায় ৭ ঘণ্টার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটি উপরে তোলা হলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করতে দেখা যায়।
বাসটি উদ্ধার করে উপরে তোলার পর এর দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। ভেতর থেকে স্কুলব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভেসে উঠছে। উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করতে ঘটনাস্থলে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে ৭ জন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, উদ্ধার করা বাসটি থেকে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৮ জন নারী। এছাড়া কয়েকটি শিশুর মরদেহও রয়েছে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান রাত ১টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাসুদ জানিয়েছেন, ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার দুই নারীর মরদেহ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে রয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস-কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দলের তল্লাশি চলছে। এছাড়া পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দলও উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।






মন্তব্য