মিরপুরে সয়াবিন তেলের সরবরাহ বেড়েছে

রাজধানীর মিরপুরে সয়াবিন তেলের সরবরাহ বেড়েছে।  গত সপ্তাহে দাম বৃদ্ধির পর সরবরাহ কমে গেলেও ১ সপ্তাহের ব্যবধানে   সরবরাহ  বেড়েছে সয়াবিনের। 

খুচরা ও পাইকারী দোকানে মিলছে খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন  তেল।  আর সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে এই  ভোজ্যতেল।  সোমবার সরেজমিন মিরপুর ১, ২, ৬,১০ ও  ১১ নম্বর ঘুরে ঠিক এমন চিত্রই দেখা গেছে। 

সোমবার দুপুর ১টায় মিরপুর ১ নম্বর শাহ আলী সিটি করপোরেশন মার্কেটের ইসলাম ট্রেডার্সে গিয়ে দেখা যায়  ১ ও ২ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের চাহিদা বেশি। ক্রেতারা তাদের চাহিদা মাফিক বোতল জাত তেল কিনছেন।  বোতলজাত তেলের পাশাপাশি অনেকে খোলা তেলও কিনছেন।  দোকানে পর্যাপ্ত পরিমান তেল মজুত থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে কোন হুড়োহুড়ি নেই। তারা স্বাচ্ছন্দ্যে   চাহিদা মাফিক বোতলজাত তেল কিনছেন। আবার অনেকে খোলা তেল কিনে বোতলে ভরছেন।  

ইসলাম ট্রেডার্সের ম্যানেজার নুর হোসেন বলেন, আজ সকাল থেকেই বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ বেড়েছে। এই মার্কেটে আমরা তেলের পাইকারী ব্যবসায়ী। মার্কেটে দুই শতাধিক দোকান রয়েছে। মার্কেটের বেশিরভাগ দোকানে আমরা তেল সরবরাহ করি। তেলের   যে সংকট ছিলো তা কেটে যাবে।  সরকার নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ১৯৮ টাকা ও খোলা তেল লিটার প্রতি ১৮১ টাকা। 
  
মিরপুর ১ শাহ আলী সিটি করপোরেশনের মোমিন বানিজ্য বিতানের ম্যানেজার বাবু বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে পামওয়েল রয়েছে। আমরা পাইকারি বিক্রি করি। প্রতি লিটার পামওয়েল ১৬৯ টাকা। 

তিনি বলেন, বাজারে ভোজ্য তেলের কোন সংকট নেই।  তেলের দাম বাড়াবে এই গুজবে অনেক ভোক্তা বাসাবাড়িতে ভোজ্যতেল মজুত রেখেছেন।  ১ লিটারের জায়গায় ১০ লিটার কিনে বাসায় রেখেছেন।  আবার ব্যবসায়ীরা ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান আতঙ্কেও তেল  মজুদ করেছেন।  এ জন্য কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। ঈদের পর এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য