চেলসি নারী দলের গোলকিপার হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন জাইমা রহমান— এমনটাই জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। রোববার (২২ মার্চ) সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং তার সুযোগ্য কন্যা জাইমা রহমান— তারা দুজনই খেলাধুলা অত্যন্ত পছন্দ করেন। আমি যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে লন্ডনে গিয়েছিলাম, তখন সরাসরি ডা. জোবাইদা রহমান ও জাইমা রহমানের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। তাঁরা খেলাধুলাকে এত বেশি গুরুত্ব দেন— এটি আমাকে অনেক উৎসাহ দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও আমাকে বারবার বলেছেন— তিনি যতটা না খেলাধুলা পছন্দ করেন, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি পছন্দ করেন তার সহধর্মিণী জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, জাইমা রহমান চেলসির নারী ফুটবল দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেখানে তিনি একজন গোলকিপার হিসেবে ছিলেন। তিনি বেশ লম্বা গড়নের। তবে পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হয়তো তাকে সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে দেননি।
আমি যতটুকু জানি, তিনি আমার মতোই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন ভক্ত। যেহেতু তিনি নিজে ফুটবল খেলেছেন এবং লন্ডনে দীর্ঘদিন ছিলেন, তাই তিনি গোলকিপার হিসেবেই খেলতেন— যা আমারও পজিশন। পাশাপাশি ডা. জোবাইদা রহমান অত্যন্ত খেলাধুলাপ্রিয় মানুষ।
তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়, আমি সৌভাগ্যবান যে এমন একটি পরিবারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি— যে পরিবারটি বাংলাদেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য সবসময় সংগ্রাম করে এসেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবারের কোনো বিকল্প নেই। এই পরিবারটি ক্রীড়াবান্ধব এবং খেলাধুলাকে ভালোবাসে।
আমিনুল হক বলেন, বর্তমানে আমি স্পোর্টসের যে দায়িত্বে রয়েছি, তা তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই পালন করছি। সরকার গঠনের মাত্র দুদিন পরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে সময় দিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই আমি কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে খেলাধুলা নিয়ে যে পরিকল্পনাগুলো রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করব।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন— কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে যে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জোবাইদা রহমানের কন্যা জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেদিন তিনি আমাকে বলেছিলেন, ভবিষ্যতে যখনই কোনো দল— হোক তা নিউজিল্যান্ড, ভারত বা অন্য কোনো দেশ— বাংলাদেশে খেলতে আসবে, তিনি মাঠে উপস্থিত থাকবেন। ফুটবল নিয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, বাংলাদেশে যখনই কোনো আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হবে, তাকে জানালে তিনি মাঠে গিয়ে খেলা দেখবেন। তিনি খেলাধুলাকে এতটাই ভালোবাসেন যে, বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের দিন তিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন এবং খেলা শেষ করেই বাসায় ফিরেছেন।






মন্তব্য