ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের মকরমপট্টি গ্রামের বিবদমান দুটি পক্ষের মধ্যে রোববার রাতের আঁধারে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ঘটনা কেন্দ্র করে গঠিত সংঘর্ষে কুদ্দুস মোল্লা (৫০)নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি বজলু মোল্লা গ্রুপের সদস্য বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মুনসুর আহমেদ।
এদিকে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনা পরবর্তী পুনরায় সংঘাতের আশংকায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।
গ্রামবাসীরা জানান, দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ হিসেবে রাত নয়টার দিকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ঘটনা নিয়ে মকরপুট্রি গ্রামেের মো. দবির মাতুব্বর গ্রুপ এবং হাজী আঃ বজলু মুন্সি গ্রুপের মধ্যে কোন্দলের সূত্রতায় রাতের আঁধারে দোকানে বসে দু'পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এঘটনার জের ধরে টর্চ লাইটের আলো জ্বালিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাঠে নামে।
দীর্ঘসময় চলতে থাকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। রাতের আঁধারে ঘটনা চলাকালীন সময়ে সাধারন নারী পুরুষ আবালবৃদ্ধবনিতার মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারাণ ৫০ বছর বয়সী কুদ্দুস মোল্লা। কুদ্দুস মোল্লা নিহত হয়েছেন এমন খবর শুনার পরে দবির মাতুব্বর গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষ স্থল থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়ে পালাতে শুরু করে। পরে পুলিশ গোটা এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও গোটা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদিকে দবির মাতুব্বর গ্রুপের হাতে কুদ্দুস মোল্লা নিহত খবর ছড়িয়ে পড়তেই মকরমপট্টি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে রাতের আঁধারে লুটপাট চালানো হচ্ছে। রাতের আঁধারের সৃষ্ট গন্ডগোল প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী চলতে থাকায় এতে উভয় পক্ষের প্রায় ২৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার পাশাপাশি গুরুত্বর বেশ কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।






মন্তব্য