ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মাওয়া পৌঁছাল প্রথম ট্রেন

  • অনলাইন
  • মঙ্গলবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:০৪:০০
  • কপি লিঙ্ক

ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মাওয়া স্টেশনে পৌঁছেছে প্রথম ট্রেনটি। ৪২ কিলোমিটারের এই পথ দুই ঘণ্টায় অতিক্রম করে ট্রেনটি। উদ্বোধনী ট্রেনটি যাত্রাপথে শিবচর ও পদ্মা স্টেশনে বিরতি দেয়।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৩টায় ট্রেনটি মাওয়া স্টেশনে পৌঁছায়। এর আগে আজ দুপুর ১টা ২১ মিনিটে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামসহ অতিথিদের নিয়ে ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতুর উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

যাত্রা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী এক এক করে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে আজ পরীক্ষামূলকভাবে পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলছে। আগামী সেপ্টেম্বরে ভাঙ্গা থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে। ওই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত রেললাইন যাবে। এর জন্য ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এ সময় পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার সাইদ আহমেদ বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু করতে আমাদের তিন মাস দেরি হয়েছিল। তারপরেও সময়মতো কাজ শেষ করতে পারায় আমরা আনন্দিত। এরই মধ্যে আমাদের এই অংশের কাজের ৯২ ভাগ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ প্রকল্প মেয়াদের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

দক্ষিণ বাংলার ২১ জেলার বাসিন্দাদের কাছে স্বপ্ন ছিল পদ্মা সেতু। গত বছর ২৫ জুন সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মঙ্গলবার তার সঙ্গে যোগাযোগের নতুন অধ্যায় রচিত হলো ট্রেন চালুর মাধ্যমে।

উদ্বোধনের সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, নাহিম রাজ্জাক, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, আবদুস সোবহান গোলাপ।

এ ছাড়া ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে পদ্মা সেতুর রেললিংক প্রকল্প সূত্র জানায়, যাত্রীদের জন্য ভাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মাওয়া পর্যন্ত ৪টি স্টেশন ও ১টি জংশন স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলো হলো-ভাঙ্গা স্টেশন, ভাঙ্গা জংশন স্টেশন, শিবচর স্টেশন, পদ্মা স্টেশন ও মাওয়া স্টেশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য