৯৭ শতাংশ কারখানায় বেতন পরিশোধ হয়েছে: বিজিএমইএ

  • অনলাইন
  • বুধবার, ১২ মে ২০২১ ০৫:২৮:০০

গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ৯৭ শতাংশ সদস্য কারখানা পোশাক শ্রমিকের বেতন আর ৯৯ শতাংশ কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে এ খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। আর আজ বুধবারের মধ্যে শতভাগ কারখানা বেতন বোনাস পরিশোধ করবে বলেও আশ্বস্ত করেছে সংগঠনটি। আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

এ সময় তিনি জানান, ৬৮টি কারখানায় নিবিড় তদারকির মাধ্যমে পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য বর্তমানে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এ দুটি সংগঠনের সদস্য বহির্ভূত মিলিয়ে রপ্তানিমুখী সচল পোশাক কারখানা প্রায় চার হাজার। আর আজ বিজিএমইএ যে তথ্য দিয়েছে, সেটি কেবল সংগঠনটির সদস্যভূক্ত ১ হাজার ৯১৩টি কারখানার।

অবশ্য বেতন বোনাস পরিশোধ সংক্রান্ত বিজিএমইএর তথ্যের সঙ্গে একমত নন পোশাক শ্রমিকরা। সম্মিলিত গার্মেন্টস  শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, বিজিএমইএর এ বক্তব্য সঠিক নয়। চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক কারখানা পাওনা পরিশোধ না করে কারখানা বন্ধ করেছে। তবে কতটি কারখানা কিংবা কোনো সংঠনের সদস্য কিনা - সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

এদিকে ঈদের আগে শ্রমিকদের ছুটি ইস্যুতে সৃষ্ট অসন্তোষকে দুঃখজনক আখ্যায়িত করে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, করোনা সংক্রমণ যাতে সারা দেশে না ছড়িয়ে পড়ে, সেজন্য সরকারের নির্দেশনা মেনে আমরা তিন দিনের ছুটি দিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু কারখানায় অসন্তোষ হয়েছে। এ সময় শ্রম আইনে ছুটি সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছুটি কম দেয়া হয়নি, বরং সমন্বয় করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে বেশি ছুটিও দেয়া হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে ছুটি সংক্রান্ত বিরোধ এড়িয়ে চলতে তিনি অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের বিদ্যমান সংকট তুলে ধরে বলেন, কারখানাগুলো বর্তমানে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে রয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পরিস্থিতিকে আরো কঠিন করেছে। এখন ব্যয়ের চেয়েও কম মূল্যে ক্রয়াদেশ নিতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চান বিজিএমইএ সভাপতি।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এস এম মান্নান কচি, সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম, পরিচালক ভিদিয়া অমৃত খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য