বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। চাদাঁবাজির মাধ্যমে অর্জিত তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য সত্য নয় বলে জানিয়েছেন সম্রাটের স্ত্রী।
দুদক সচিব বলছেন, সম্রাটের আরও সম্পদ খোঁজা হচ্ছে। অন্যদিকে, রূপপুর পারমানবিক কেন্দ্রের বালিশ কান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তিন প্রতিষ্ঠানকে। আলী তালুকদারের প্রতিবেদনে।
বৃস্পতিবার সকাল ১০টায় দুদক কার্যালযে আসেন ক্যাসিনো কান্ডে আলোচিত বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমীন চৌধুরী ও বড় ভাই ফরিদ আহমেদ চৌধুরী।
রাজনীতিকে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি আর ট্যান্ডার বাণিজ্যে প্রায় তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়ায় সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
দুদকের উপ পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন সম্রাটের দেশে ও বিদেশে গড়ে তোলা সম্পদের বিষয়ে জিজ্ঞাসবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তার স্ত্রী ও ভাই।
সম্রাটের ক্যাসিনো আর টেন্ডার বানিজ্য থেকে আরো সম্পদ রয়েছে কিনা তার খোঁজ চলছে বলেও জানান দুদক সচিব।
এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে বালিশ-কাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে ইউরেশিয়া, নিউ হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও হাতিল এই তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।




.jpg)

মন্তব্য