প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে কোটা প্রথা বাতিল

  • ডেস্ক
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৫:২০:০০

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে কোটা প্রথা বাতিল করা হয়েছে । সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় কোটা প্রথা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) এ এম মনসুর আলম জানিয়েছেন , সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে তবে বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা -২০১৯ অনুযায়ী নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা বহাল থাকবে। সে অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এদিকে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম অক্টোবরের প্রথম দিকে শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। প্রাক-প্রাথমিক ও শূন্য পদ মিলিয়ে প্রায় ৩৬ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে ডিপিইর ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

 নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ২৫ হাজার ৩০০ জন নিয়োগ দেয়া হবে। এটি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি) এর আওতাভুক্ত হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষে এ স্তরের শিক্ষকদের রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এছাড়া শূন্য সব পদে আরও ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। দুই স্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অধিদফতর থেকে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন করে চলতি সপ্তাহে পাঠানো হবে। এরপর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ নিয়োগের পরবর্তী কাজ শুরু হবে

জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এতে আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের যোগদানের পর ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করায় কোটা বাতিল করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল রয়েছে।

আবেদনকারী নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক (সম্মান) বা সমমান ডিগ্রি করা হয়েছে। গত বছর অনলাইন আবেদন ফি ১৬৬ টাকা হলেও এবার আবেদন ফি কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে। বুয়েট ও টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় আবেদন গ্রহণ, কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো, খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশ করা হবে।অনলাইন আবেদনের জন্য এক মাস সময় দেয়া হবে।

সরকারি চাকরিতে ৯ম থেকে ১৩ তম গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ ১ম ও ২য় শ্রেণির পদে কোনো কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে একটি আদেশ জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য