একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রী পরিষদের তালিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘিরে দলীয় ও সাধারণ মহলে চলছে নানা মূল্যায়ন। তালিকায় রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের প্রস্তাব উঠে এসেছে।
প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি হিসেবে রাখা হয়েছে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন-এর নাম। স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন এডভোকেট জয়নুল আবেদীন অথবা নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রস্তাব করা হয়েছে তারেক রহমান-কে। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে রাখা হয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর নাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছেন সালাউদ্দিন আহমেদ এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-কে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন ড. হুমায়ুন কবির। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জন্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এএনএম এহসানুল হক মিলন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে; প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আছেন সাঈদ আল নোমান।
আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান। তথ্য মন্ত্রণালয়ে রাখা হয়েছে আন্দালিব রহমান পার্থ-কে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ড. মাহদী আমিন।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ড. আব্দুল মঈন খান, বাণিজ্যে আব্দুল মুক্তাদির, শিল্পে আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং নৌ পরিবহনে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর নাম রয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থানে নজরুল ইসলাম খান, পানি সম্পদে আসাদুল হাবিব দুলু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ফজলুর রহমান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে আমান উল্লাহ আমান-এর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে জোনায়েদ সাকি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়ায় আলি আজগর লবি এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ে শামীম কায়সার লিংকন-এর নাম রয়েছে।
এছাড়া বিমান পরিবহন ও পর্যটনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কৃষিতে শামসুজ্জামান দুদু, গৃহায়ণ ও গণপূর্তে মির্জা আব্বাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগে নুরুল হক নূর, রেলপথে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জনপ্রশাসনে ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ, সমাজকল্যাণে রুহুল কবির রিজভী এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দীপেন দেওয়ান-এর নাম প্রস্তাবিত হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, এটি একটি প্রস্তাবিত তালিকা—চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে রাজনৈতিক সমীকরণ ও দলীয় আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তন আসতে পারে। এই তালিকা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।






মন্তব্য