ফরিদপুরে এই পর্যন্ত ৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে দুইজন। একজন নগরকান্দা উপজেলার ও বোয়ালমারী উপজেলার। এছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দিকুর রহমান জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে এদের পাওয়া রিপোর্টে এ নতুন করে দুই উপজেলায় আরও দুজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
এদের মধ্যে নগরকান্দা উপজেলার জেসমিন বুলুর স্বামী খলিলুর রহমানের গত ১৩ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয়। ওইদিন রাতেই নগরকান্দা উপজেলা লকডাউন করা হয়। আক্রান্ত বাবাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর স্ত্রীকে ফমেক হাসপাতালের আইসোলেশসে রাখা হয়েছে।
এছাড়া নতুন আক্রান্ত সাহাবউদ্দিনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়ছে।
বোয়ালমারীর নির্বাহী কর্মখর্তা ঝটন চন্দ বলেন, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির জরুরী সভার আহবা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই সভায় থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে লক ডাউনের বিষয়ে।
এদিকে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন আরও জানান, এ পর্যন্ত ফরিদপুরের ১২৪ জন সন্দেহ ভাজনের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৩ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে চারজন করোনা শনাক্ত হয়েছে।
এছাড়াও ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের নাম চঞ্চল মুন্সি (৩৫)। তিনি কোদালিয়া শহীদ নগর ইউনিয়নের ভাজনকান্দা গ্রামের হেমায়েত মুন্সির ছেলে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় যাবত চঞ্চল মুন্সি জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও গলা ব্যাথায় ভুগছিলেন বলে পরিবার থেকে বলা হয়েছে। খবর পেয়ে একটি মেডিকেল টিম পাঠিয়ে তার শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকা পাঠানো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।




.jpg)

মন্তব্য