নির্বাচন পিছিয়ে গেলে দেশের সর্বনাশ হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল

  • অনলাইন
  • সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫ ০১:১১:০০
  • কপি লিঙ্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিছিয়ে গেলে দেশের সর্বনাশ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি মহল আজ নির্বাচন পেছাতে নানা চক্রান্তে উঠে পড়ে লেগেছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা আজ দেশটাকে গিলে খেতে চায়, এটা মেনে নেওয়া যায় না। 

তিনি বলেন, আজকে একটা ধারণা দেওয়া হচ্ছে ২৪-এর আন্দোলনেই সব হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না ৭১ হয়েছে বলেই আমরা দেশ পেয়েছি। আমার জন্মটাকে আমরা ভুলতে পারি না, এটা মাথায় রাখতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ৭১ মুছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা সেটা ভুলতে পারি না। হিন্দু-মুসলিম বিভেদ তৈরির চেষ্টা চলছে। এটা কখনও হতে দেওয়া যায় না। 

ফখরুল বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে একটি পক্ষ নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া মানে সর্বনাশ হয়ে যাওয়া। তাই অতি দ্রুত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে। 

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (৯ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বছরে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন। সেই সঙ্গে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকছে আরও ১৪ দিন।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে মুসলিম পর্বে মোট ৫ দিন, হিন্দু পর্বে মোট ৯ দিন, খ্রিষ্টান পর্বে মোট ৮ দিন, বৌদ্ধ পর্বে মোট ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর্মচারীদের ক্ষেত্রে মোট ২ দিন করে ছুটি নেওয়া যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে ২০২৬ সালের বাংলাদেশের সব সরকারি ও আধা–সরকারি অফিস এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা–স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোতে এ ছুটি পালন করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক মোট ৩ (তিন) দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি প্রদান করা যেতে পারে এবং প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত ৩ (তিন) দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার কর্তৃক অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এ ছুটি ঘোষণা করবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) আগামী বছরের সরকারি ছুটির তালিকার অনুমোদন দেয় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সব মিলিয়ে ছুটি থাকবে ২৮ দিন, যার মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার)।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য