বর্জন- বয়কট– আশাবাদ

  • ডেস্ক
  • শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০ ০৭:৩৮:০০

শুরু করেছিলাম দুই টাকার পত্রিকায়, সেই পত্রিকা বাজারে আসতে এত দেরি করেছিল যে একসময় ডামি কপি শাহবাগ মোড়ে হাতে হাতে ঘুরতো। সেই মহড়াকালে বহুদিন প্রেসক্লাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিব্রতকর পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে, পাত্তা দেইনি। শফিক রেহমানের যায়যায়দিনে যোগ দেয়ার পর এক নামকরা ব্যারিস্টার চেম্বার থেকে এই বলে বের করে দিলেন, বিএনপির পৃষ্ঠপোষক পত্রিকার সাথে কথা বলবেন না। কিছুদিনের মধ্যেই লগি বৈঠার দাপাদাপিতে ভীত শফিক রেহমান আমাদের চাকুরিচ্যুত করে দেশ ছেড়ে পালাতে গিয়ে ধরা খেলেন বা আমরা তাঁকে পালাতে দিলাম না। 

আমি আবারো দুইটাকার পত্রিকায় ফিরলাম। ওয়ান ইলেভেন এলো- জরুরী অবস্থাও। রাজনীতি নিষিদ্ধ, চারদিকে মাইনাস মাইনাস রব। কিন্তু সদ্য নোবেল বাগানো ড. ইউনুসের জন্য সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল। আমাদের সংবাদ মাধ্যমের একাংশের প্রশ্রয় ও পরামর্শে ড. সাহেব দিব্যি রাজনৈতিক দল খুলে বসলেন। তো ড. সাহেব জরুরী আইন ভাঙছেন কী না- দুই টাকার পত্রিকায় এই প্রশ্ন তুলেছিলাম, ফলাফল ড. সাহেবের দরবারে আমাদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ। উপরি হিসেবে পাওয়া ড. সাহেবের ভাই ও তার গণমাধ্যম উপদেষ্টার নির্দেশনা- কীভাবে সাংবাদিকতা করিতে হইবে। দুইটাকার পত্রিকাতেই রাজাকারনামা লেখার বেততমিজির কারণে মুজাহিদ- সোবহান সাহেবেরা এত গোস্বা করেছিলেন যে, সংসদের ভেতরের কার্যালয় থেকে সর্বসমক্ষে নিসক্রানতো হতে বলেছিলেন। 

এই করোনাকালেও ডাকসুর মেয়াদ পুর্ণ হবার আগের দিন তিন জায়গা ঘুরে সদ্য সাবেক ভিপি নুরের সাক্ষাতকার নিয়েছি। এবার তিনি বা তার অনুসারীরা ৭১ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। আমি প্রমাদ গোনার পাশাপাশি পুরনো কথা মনে করলাম। অতীতের ঘটনাগুলোর কুশীলবদের পরিণতির দিকে তাকালাম .. শংকিত হলাম, আশাবাদী হলাম।

মিল্টন আনোয়ার, সাংবাদিক, একাত্তর টিভি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য