করোনায় হুমকির মুখে কামারখন্দের ব্যবসা বাণিজ্য

  • আবির হোসাইন শাহিন:
  • বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০ ০৮:০২:০০
  • কপি লিঙ্ক

কামারখন্দ মুলত  কৃষিপ্রধান এলাকা। এখানে প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়। সিরাজগঞ্জের সবথেকে ছোট উপজেলার নাম কামারখন্দ।আবাদযোগ্য জমি ছাড়াও অনেক পুকুরও  রয়েছে এখানে। খাদ্যশস্য, ব্যবসা এখানকার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস। মাছ চাষও গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বলরামপুর  নামক হাটে  ধানের বড় আড়ত রয়েছে। 

কিন্তু সাম্প্রতিক করোনা ভাইরাসের কারনে ভেঙে পড়েছে কামারখন্দের ব্যবসা- বানিজ্য। বেশি বিপাকে পড়েছে বেত আর তাতঁ এর সাথে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা।

কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নে শীতল পার্টি তৈরীর একটি বিশেষ এলাকা রয়েছে। এখানকার  তৈরী শীতল পাটি দেশে বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। 

কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের পাইকশা, ভদ্রঘাট ইউনিয়নের দোগাছি এবং রায়দৌলতপুর ইউনিয়নে তাঁত  শিল্প রয়েছে। তাঁত শিল্পের উৎপাদিত  গামছা, লুঙ্গী  দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী হয়। 

বিশেষকরে পাইকশার উৎপাদিত গামছার চাহিদা দেশজুড়ে। ঢাকার বাজারে বিক্রি হওয়া  প্রায় ৭০শতাংশ গামছাই পাইকশার। এখানকার গামছা ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহেও পৌঁছে গেছে।

 

বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য