করোনার উপসর্গ নিয়ে শিবচরে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলীর মৃত্যু

  • শিবচর প্রতিনিধি:
  • মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ ১১:২৯:০০
  • কপি লিঙ্ক

শিবচরে করোনার উপসর্গ নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের এক ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে তার স্ত্রী ও ২ ছেলেকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ধারণা প্রকৌশলীর বাসায় আসা ঢাকা ও টুঙ্গীতে পড়ুয়া ছেলেদের কাছ থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন পরিবারটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিবচর পল্লীবিদ্যুতের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিনহা খসরু (৫২) গত ১৮ মে থেকে জ্বর জ্বর অনুভব করায় ছুটিতে যান। গত ২০ মে সে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য গেলে তাকে চিকিৎসা ও ওষুধ পথ্যাদি দিয়ে বাসায় ফেরৎ পাঠানো হয়। 

গত ২৩ মে তার করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে। রোববার রাতে তার প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট অনুভব হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মধ্যরাতেই তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রীরও শ্বাসকষ্ট ও ২ ছেলের জ্বর অনুভব হওয়ায় তাদের ৩ জনকেও সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

সে শিবচর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার ছেলেরা ঢাকা ও টুঙ্গীতে লেখাপড়া করতেন। সম্প্রতি ছেলেরা বাসায় আসলেও তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে না রেখে একসাথে সবাই বসবাস করতেন। সিনহা খসরু দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের বড়বোলী এলাকার আমির খসরুর ছেলে।

শিবচর পল্লী বিদ্যুত কার্যালয়ের ডিজিএম মো. আকমল হোসেন বাংলাদেশ জমিনকে  বলেন, ১৮ মে থেকে সে করোনা উপসর্গ নিয়ে ছুটিতে ছিলেন। রবিবার রাতে তার প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হলে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোস বাংলাদেশ জমিনকে  বলেন, ২৩ মে এই ব্যক্তির করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে তার ছেলেরা ঢাকা ও টুঙ্গী থেকে আসায় পরিবারটি সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে। উপসর্গ থাকায় তার স্ত্রী ও ২ ছেলেও ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ জমিনকে বলেন, পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তার নমুনা নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। তাছাড়া নিহতের স্ত্রী ও সন্তানের মধ্যেও করোনার লক্ষণ দেখা দেয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য