মাত্রই বিকেল গড়িয়ে সন্ধা নেমেছে। দোকানেও স্থানীয় খরিদ্দারের ভীর। জ্বলছে চায়ের চুলা। দূর হতে গাড়ী দেখেই তরিঘরি করে দোকানে তালা ঝুলিয়ে পাশে দাড়িয়ে রইলেন দোকানদার। ততক্ষনে পুরো বিষয়টি খেয়াল করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা।
কিছু জিগ্যেস করার আগেই দোকানী বলে উঠলো স্যার আমি দোকান খোলা রাখি না। চায়ের কেটলি দেখতে চাইতেই বিপাকে পরে গেল দোকানদার। কেটলি ভরতি গরম পানি।
অপরাধীর সুরে বললো স্যার এলাকার লোকজন খাইতে চায় তাই একটু চা বানাইছিলাম। ইউএনও তখন তাকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সরকারী নির্দেশনার বিষয়টি ভাল ভাবে বুঝিয়ে শাস্তির বদলে তার হাতে খাদ্য সামগ্রীর একটি প্যাকেট তুলে দেন। ফরিদপুর চরভদ্রাসনের সদর ইউনিয়নের আঃ গফুর মৃধার ডাঙ্গী গ্রামে শুক্রবার সন্ধার দিকে এমনই ঘটনার অবতারনা ঘটে।
এ সময় তিনি ঐ এলাকা ঘুরে অসহায় বিধবা ও কর্মহীন হয়ে পরা রিক্সাচালক,অটোচালক,ভ্যানচালকদের কাছে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।পরে তিনি বালিয়া ডাঙ্গী,ফাজেলখার ডাঙ্গী,আরশাদ মাতুব্বরের ডাঙ্গী,জাকেরের সুরা, লোহারটেক গ্রামের ৬০ পরিবারে হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল দশ কেজি চাউল, দুই কেজি আলু ও এক কেজি ডাউল।
এ সময় তার সাথে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমদাদুল হক তালুকদার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হক।






মন্তব্য