ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের গোয়ালবেড়া গ্রামে ত্রাণের চাল বিক্রির সময় হাতেনাতে ৬ বস্তা চালসহ ইউনিয়ন মেম্বরের সহযোগী আলমগীর (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে গ্রামবাসী। আটক মেম্বরের সহযোগীকে তিন মাসের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটেছে চান্দ্রা ইউনিয়নের ৯ নাম্বার ওয়ার্ড এলাকায়।
পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সমন্বয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ত্রাণের চালসহ তাদের কাছে হস্তান্তর করে গ্রামবাসী। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৯ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম খান। পরে আসামিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আলামিন মিয়া, ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাজা ভাঙ্গা থানার এসআই আজাদ, চান্দ্রা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন খালাসীসহ স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
এদিকে চাল চুরির মূল অভিযুক্ত ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মেম্বর মিজানুর রহমান লিটুর এ ঘটনার পর থেকে এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছে। পলাতক মেম্বরের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাকিম ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুর রহমান খান বাংলাদেশ জমিন কে জানান, হতদরিদ্রদের চাল চোরাইভাবে বিক্রয় হচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় বাড়িটি তল্লাাশি চালিয়ে হাতেনাতে চালের বস্তাগুলো জব্দ করা হয়। আটক করা হয় ১ জনকে। এ ঘটনায় জড়িত উক্ত ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান লিটুকে আটক করার চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার করা বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গোয়ালবেড়া গ্রামবাসী সন্দেহ হওয়ায় প্রাথমিকভাবে দুজনকে আটক করার পরে প্রশাসনের কাছে দুজনকে হস্তান্তর করে। কিন্তু জনৈক ব্যক্তি চাল চুরির ঘটনার সাথে জড়িত না থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বেখসুর খালাস দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।






মন্তব্য