নোভেল করোনা ভাইরাসের কারনে ফরিদপুর জেলাকে লগ ডাউন ঘোষণা না করা হলেও গত ২৬ মার্চ থেকে জেলার সকল ঔষধ ও খাবারের দোকান ব্যতিত সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গৃহবন্দি হয়ে পরে জেলার সকল মানুষ। তবে গৃহবন্দি হয়ে থাকা সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পরে।
এ সময় সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তরুণ সমাজ সেবক আলী রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন। এই সমাজ সেবক নিজ উদ্যোগে সমাজের অসহায়, খেটে খাওয়া ৮ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
বুধবার (৮এপ্রিল) সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গোপনীয়তা রক্ষা করে সমাজের নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া রিক্সাচালক, কাজের বুয়া, জেলে, চায়ের দোকানদার, ফল বিক্রেতাসহ ৮ শতাধিক পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, লবণ, তেল, আলু বিতরণ করা হয়।
তাছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা চিন্তা করে গোপনীয়তা রক্ষার মাধ্যমে রাতের আধারে সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন এ সমাজ সেবক।
এ সময় রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন বলেন, দেশ এখন এক দুর্যোগপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। আর এই দুর্যোগে মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থাকার জন্য আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করেছি। আমারা সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে গোপনীয়তা রক্ষা করে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে আসছি। কেননা বর্তমানে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পরিস্থিতির শিকার। যার ফলে এই মানুষদের জন্য আমার পক্ষ থেকে সামান্য কিছু উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি।
তরুন আরও বলেন, আল্লাহ্ চাইলে এই দুর্যোগ আমরা ইনশাআল্লাহ্ কাটিয়ে উঠতে পারব। আর দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এই অসহায় মানুষগুলোকে যেন কেউ ভিক্ষারি না ভাবে সে জন্য আমরা খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় গোপনীয়তা রক্ষা করে চলেছি। এ সময় তরুন সমাজ সেবক আলী রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
প্রফেসর নাজির আহমেদ আবুল, আসেন আলী বিশ্বাস, সেলিম মিয়া, শামীম বিশ্বাস, জামাল মিয়া, বাবু বিশ্বাস, আরিফ হোসেন, রাকিব হাসান বিশ্বাস, আব্দুল বাতিন, আরিফ হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন ও মেহেদি হাসান মিঠুর প্রতি।কেননা এই মানুষগুলো তরুন সমাজ সেবক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুনে সাথে প্রতিটি অসহায় পরিবারের কাছে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ছুটে যান।
তাছাড়া এ কার্যক্রম দুর্যোগ চলাকালীন সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন।






মন্তব্য