বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত। প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল! বিশ্বের অর্থনৈতিক চাকা এখন বন্ধের দ্বার প্রান্তে, ঠিক তখনই কিছু মানবতার ফেরিওয়ালা পাশে দাঁড়িয়েছেন অসহায় মানুষদের।
বুঝাতে চেয়েছেন মানবতাই পরম ধর্ম। মানুষ মানুষের জন্য এই শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে তারা নীরবে নিবৃতে কাজ করে যাচ্ছেন অসহায়দের জন্য। মহামারী করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত গোটা দেশ। রাস্তাঘাট দোকানপাট গাড়ি ঘোড়া সব বন্ধ। এতে অনেকেই পরেছেন চরম বিপাকে, বিশেষকরে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন।
এরা না পারেন কারো কাছে হাত পাততে, না পান এরা কারো অনুদান। দিনের পর দিন এদের চুলায় আগুন না জ্বললেও তারা হাত পাতেন না কারো কাছে। এমন মানুষদের জন্য নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন ফরিদপুরের কৃতী সন্তান ডা. যশোদা জীবন দেবনাথ সিআইপি। যিনি ইতিমধ্যেই এমন শতাধিক পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। সেইসাথে মাস্ক, হাত ধোয়ার লিকুইড সাবান সহ লক্ষাধিক নগদ অর্থ অনুদান দিয়েছেন অসহায় পরিবারের জন্য।
তিনি তার ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি- গাজীপুর আমাদের রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লিঃ নামে একটি রিসোর্ট আছে, সেখানে ১০০ টির উপরে সুসজ্জিত রুম আছে। সরকার যদি ইচ্ছা পোষণ করেন বিনামূল্যে আমরা কোয়ারান্টাইন সেন্টারের জন্য রিসোর্টটি দিতে প্রস্তুত।”
এই রিসোর্টটি তিনি কোয়ারান্টাইনের জন্য সরকারকে বিনামুল্যে দিতে চান
ডা. দেবনাথ ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-আমার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি দান করেছিলাম একটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য, পাশাপাশি ফরিদপুরের গণমানুষের শ্রদ্ধেয় নেতা এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর নির্দেশ ক্রমে একটি পুলিশ ফাঁড়ি করেছিলাম, যা এখন খালি পরে আছে। আমার গ্রামের বাড়িতে আমার মায়ের থাকার একটি ঘরও রয়েছে যার সবটাই ফরিদপুর বাসীর এই ক্রান্তিকালে কোয়ারান্টানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করতে চাই। বন্ধুরা, শুধু আমার মাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিও।”






মন্তব্য