নেত্রকোণায় গ্রামের মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একদল শিক্ষার্থী। এই উদ্যোগ গ্রহণ করে তরুণসমাজ। সদর উপজেলার ১২ নং মদনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সচেতন শিক্ষার্থী এবং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ফকির এই কাজে এগিয়ে এসেছেন।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের উদ্যোগে ১০০ জনের একটি ভলেন্টিয়ার টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে মানুষকে সচেতন করতে ৪-৫ জনের গ্রুপ করা হয়েছে। তাদের গৃহীত উদ্যোগের মাধ্যম গ্রামের মানুষ আরও বেশি সচেতন হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যরাও সচেতন হবে।
শিক্ষার্থীরা যে কাজগুলো করছে-
* প্রতিটি মসজিদে ওজু করার জায়গায় হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান দেওয়া হয়েছে।
* ‘ওজু করার পূর্বে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন’ এমন লিখা ব্যানার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
* ইউনিয়নে ৪৭টি মসজিদ এবং ৩টি মন্দিরে সাবান এবং ফেস্টুন দেওয়া হয়েছে।
* জনবহুল স্থান, যেমন-বাজার কিংবা মার্কেটে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে কী কী করণীয় এমন লিখা বিল বোর্ড লাগানো হয়েছে।
* প্রতিটি বাজারে হ্যান্ডবিল বিলি করা হয়েছে।
* প্রতিটি গ্রামে মাইকিং করা হয়েছে।
* বিনামূল্যে মাস্ক এবং হ্যান্ডগ্লাভস দেওয়া হয়েছে।
* প্রবাসী কেউ এই মূহুর্তে গ্রামে আসছেন কি না খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে, গ্রামের সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন আমাদের চেয়ারম্যান মহোদয়। আমার এই উদ্যোগের মাধ্যমে ১(শত) জনের একটি ভলেন্টিয়ার টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে মানুষকে সচেতন করবে ৪/৫ জনের এই টিম। আমাদের গৃহীত উদ্যোগের মাধ্যম আশা করি গ্রামের মানুষ সচেতন হবে, পাশাপাশি দেশের সকল মানুষ সচেতন হবে।
হাসান আল মামুন বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণে আমরা শিক্ষার্থীরা এই ভলেন্টিয়ারী কাজ অব্যাহত রাখতে চাই। আসুন সবাই সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করি। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সুশীল সমাজ এবং ইউনিয়নের সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি।
দেশের মানুষের কল্যাণে শিক্ষার্থীরা এসব কাজ অব্যাহত রাখতে চায়। সবাইকে সচেতন হতে এবং অন্যদের সচেতন হওয়ার আহ্বান করেছেন শিক্ষার্থীরা।






মন্তব্য