করোনা ভাইরাস সচেতনতায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের সকল অফিসার-সদস্যবৃন্দ একজোট হয়ে কাজ করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈশক এই মহামারী মোকাবিলায় দিনরাত কাজ করে চলছেন তাঁরা।
আর এ কাজে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার ও সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র দিকনির্দেশনায় তাঁরা বিদেশ ফেরত ব্যাক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখাসহ করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সচেতনমূলক মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করছেন।
এখনও পর্যন্ত ফরিদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি। তারপরও জনসচেতনতায় বসে নেই উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন। এ পর্যন্ত উপজেলায় বিদেশ ফেরত ৪৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। নিয়মিত হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা বিদেশ ফেরতদের কড়া নজরদারীতে রেখেছেন তাঁরা।
সালথা থানা পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে, বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে প্রবাসীরা দেশে ফিরতে শুরু করেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫২জন প্রবাসী সালথায় অবস্থান করেছেন। এরমধ্যে ৪৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। বাকি ৯জন এলাকার বাইরে আছে। এরপর যার আসবে তাদেরকেও হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
সালথা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে লিফলেট বিতরণকালে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, করোনাভাইরাস রোধে বিদেশ ফেরতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। তাদেরকে নজরদারীর মধ্যে রাখা হচ্ছে। মানুষকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। যার যার অবস্থান থেকে সবাই সতর্ক হলেই এমন দূর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব।
লিফলেট বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার বলেন, যারা হোম কোয়ারেন্টিনে আছে, তাদেরকে নজরদারীর মধ্যে রাখা হয়েছে। কেউ যদি কোন আইন, কোন নিয়ম, কোন শৃঙ্খলা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় ব্যবসায়ীদের উদ্যেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরও বলেন, বাজারের নিত্যপণ্যর দাম স্থিতিশীল রাখতে হবে। এখন ব্যবসা করার সময় নয়, এখন মানুষের সেবা করার সময়। কোন ব্যবসায়ী করোনার সুযোগ নিয়ে যদি পণ্যর দাম বেশি নেয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এসময় সকলকে স্বাস্থ্য সেবা মেনে চলার আহব্বান করেন।






মন্তব্য