জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ বলেন, এরশাদের শেষ ইচ্ছা ছিল তাকে সামরিক কবরস্থানে যেন দাফন করা হয়। তার ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বিক্ষোভ করেন। তাদের দাবি এরশাদকে যেন উন্মুক্ত স্থানে কবর দেওয়া হয়।
রোববার বিকেলে বানানী কার্যালয়ের সামনে সামরিক কবরস্থানে এরশাদকে দাফনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তাকে উন্মুক্ত স্থানে কবর দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘পার্টি চেয়ারম্যান এরশাদের দাফন কোথায় হবে তা এখনও চূড়ান্ত নয়। আগামী ১৬ জুলাই দলের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হবে। সেখানেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’