জেএমবি’র সিরিজ বোমা হামলার ১৫ বছর


আজ ১৭ আগস্ট। দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলার ১৫ বছর। তবে এত দিনেও ১৬০ টি মামলার অর্ধেকও নিষ্পত্তি হয়নি।

আর হামলায় জড়িত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) কার্যক্রমও নির্মূল করা সম্ভব হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, জেএমবির সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দেয়ায়, বড় হামলার সক্ষমতা হারিয়েছে সংগঠনটি।

২০০৫ সালের ১৭ই আগস্ট। রাজধানীসহ দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের সাংগঠনিক ক্ষমতার জানান দিয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবি। ওই হামলায় দুই জনের মৃত্যু ও শতাধিক মানুষ আহত হন।

ঘটনার পর ১৬১টি মামলা হয় এবং ১১০টির রায়ে ফাঁসি কার্যকর হয় ১৫ জঙ্গির। সাজা হয় ২৮৭ জনের আর খালাস পান ১১৮ জন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত ৩৫ আর পলাতক ৫৩ জন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির উল্লাহ বলছেন, এই সব হত্যাকাণ্ডের যে মামলাগুলো হয়েছে। তা রাষ্ট্র, সরকার, ও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সবাই আমরা বিশেষ নজরদারই রাখছি। আমরা আশা করছি এই সব মামলাগুলো খুব দ্রুতই নিষ্পত্তি হবে। বাংলাদেশে কোনও ভাবেই এইধরনের জঙ্গি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ দেয়া হবে না।

শীর্ষ নেতাদের বিচার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে সংগঠনের কার্যক্রম।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলছেন, পুরান জঙ্গি সংগঠন এখন খুব একটা একটিভ নেই। তারা এখন ইন্টারনেটে জিহাদের প্রচার প্রচারণা ও কর্মী সংগ্রহের চেষ্টায় আছে।

আমার জানা মতে জেএমবির প্রধান সালাউদ্দিন সালেহীন তিনি এখনও ধরা পরেনি। সে ভারতের কোথাও পলাতক রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মত, শুধু আইন প্রয়োগ করে নয় সহিংসতা ও উগ্রবাদী দমনে গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com