ইরানের রাজধানী তেহরানে ইমাম হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিমান হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়টি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
শনিবার (৭ মার্চ) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, তেহরান ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন স্থানে চালানো এই হামলায় ৮০টির বেশি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল তেহরানের ইমাম হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়। ইসরায়েলের দাবি, সংঘাতের সময় আইআরজিসির সদস্যরা সেখানে সমবেত হতো এবং স্থাপনাটিতে বহু সামরিক সরঞ্জাম রাখা ছিল। তাই এটিকে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও দাবি করেছে, হামলায় ইরানের সামরিক বাঙ্কার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ অবকাঠামো এবং একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ডিপো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ওই ডিপোটি শতাধিক কর্মী দ্বারা পরিচালিত একটি কমান্ড সেন্টার হিসেবেও ব্যবহৃত হতো বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া পশ্চিম ও মধ্য ইরানের কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলেও হামলা চালানো হয়েছে বলে ইসরায়েল জানিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি, শতাধিক স্কুলছাত্রী এবং জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাসহ এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।