মানসিকভাবে চরম অসুস্থ, মাদকাসক্ত, নারীর নেশাসহ নানাভাবে নির্যাতনের অভিযোগে সারেগামাপা খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন স্ত্রী সালসাবিল। গেলো ৬ অক্টোবর এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।
স্ত্রীর পাঠানো তালাকের নোটিশ হাতে পেয়েই দ্বিতীয় বিয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন নোবেল। গেলো শনিবার (৯ অক্টোবর) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে নোবেল লিখেছেন, পাত্রী চাই!
তিনি জানিয়েছিলেন, এবার আমি বিয়ে করব বাবা-মায়ের পছন্দে। আমি ২৫ বছরের একটা ছেলে। আরেকটা বিয়ে করে ফেলব। ওর চেয়ে সুন্দরী ও ভালো মেয়ে বিয়ে করব। আমার বহু জায়গা থেকে প্রস্তাব আছে। এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে বিয়ে করতে প্রস্তুত আমাকে।
এদিকে দুদিন যেতে না যেতেই মত পাল্টে ফেলেছেন নোবেল! স্ত্রীর কাছেই ফিরতে চান তিনি। সোমবার (১১ অক্টোবর) সকালে নোবেল ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেন- আমার এবং আমার স্ত্রীর মধ্যকার সকল বিবাদ পারিবারিকভাবে মিমাংসা করা হচ্ছে। বিগত কিছুদিনের কাঁদা ছোঁড়াছুড়ির জন্য বিনীত ভাবে দুঃখিত। বিয়ে একটা পবিত্র প্রথা, অনুগ্রহ করে বে-ফাঁস মন্তব্য করে এর পবিত্রতা নষ্ট করবেন না।
নোবেলের স্ট্যাটাস নিয়ে হাস্যরসে মেতেছেন নেটিজেনরা। অনেকেই তাকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করছেন। যদিও কেউ কেউ এমন সিদ্ধান্তের জন্য নোবেলকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বশির শিকদার লিখেছেন, এখন তুমি বুঝতে পারলা বিয়ে একটা পবিত্র সম্পর্ক। তবে আমি একটা বিষয়ে সাজেস্ট করতে চাই, ফ্যামিলির সমস্যাগুলো পাবলিক না করা ভাল। যখন পার্সোনাল সমস্যা পাবলিক করবে তখন সেটা আর পার্সোনাল থাকবে না পাবলিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ, সুন্দর হোক আগামী দিনগুলো।
লাভলী ইসলাম লিখেছেন, আপনার পাত্রী চাই পোস্ট দেখে আমি তো পাত্রী দেখে ফেলেছি, এখন কী হবে?
জান্নাতুল নাঈমা লিখেছেন, সংসার ভাঙা কোনো সমাধান নয়! দোয়া রইলো।
প্রসঙ্গত, ভারতের জি বাংলার সারেগামাপা রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান মাইনুল আহসান নোবেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয়ের সূত্রে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর সালসাবিল মাহমুদকে বিয়ে করেন এই সঙ্গীতশিল্পী। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তারা আলাদা থাকছেন।