সুন্দরগঞ্জে চরাঞ্চলের লক্ষাধীক মানুষের পারাপারে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ


তিস্তার অবহেলিত চরাঞ্চলের লক্ষাধীক মানুষের পারাপারের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ চলেই আসছে। মাঝখানে শাখা নদীর উপর দিয়ে ব্রীজ তৈরী হলেও কাজ শেষের আগেই তা ভেঙ্গে যায়। আওয়ামী লীগের স্থানীয় চার নেতা এই ব্রীজের সাব ঠিকাদার ছিলেন।সেজন্য শুরু থেকেই ব্রীজ নির্মানে লুটপাট শুরু হয়।কর্মকর্তারাও গা ছাড়া ভাবে কাজটি ছেড়ে দেন।

ফলে সোমবার বিকেলে ব্রীজটির বাকি অংশ শ্রোতের টানে অর্ধেক ধসে পড়ে। লাখ লাখ লোকের র্দীঘদনিরে দাবীর তিস্তার শাখা নদীর উপড়ে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মানের উদ্যোগ নেয় সুন্দরগঞ্জ উপজলো পরিষদ।নকশাও করে উপজলো প্রকৌশল অধদিপ্তর। নকশাটি করা হয় ত্রম্নটিপুর্ণ ভাবে। ২০২২-২৩ র্অথবছরে র্বাষকি উন্নয়ন র্কমসূচরি এডিপির টাকায় ৩৪৪ ফুট র্দীঘ ও ৫ ফুট প্রসস্থ সেতু নির্মানে ব্যয় ধরা হয় ২৭ লাখ টাকা।কাজ পায় গাইবান্ধার সাঘাটা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ছানা এন্টারপ্রাইজ।কাগজে কলমে কাজ ছানা এন্টারপ্রাইজের নামে হলেও কাজটি মুলত উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম তার চামচাদের দিয়ে কাজ করা শুরম্ন করেন। ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলওে ২০২৪ সালের জানুয়াররি মাঝামাঝি অবধি কাজ না করেই টাকাও বিলের টাকাও তোলা হয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ কাজটি এতে নিন্মমানের করা হয় যে বালু ও রডের ব্যবহার নেই বললেই চলে।ফলে কাজ শুরম্নর ১ মাসের মাথায় চলতি বছর জুন মাসে ব্রীজটির অর্ধ্যেক অংশ ডেবে যায় ও হেলে পড়ে। ব্রীজটি বাঁশ দিয়ে বেধে রাখা হয়। তারপরও শেষ রক্ষা হলো না।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ব্রীজটির অর্ধেক অংশ শ্রোতের টানে ধসে পানিতে পড়ে যায়।বাধ্য হয়ে উপজেলা পরিষদ থেকে ওই পথে চলাচলকারীদের জন্য ছোট নৌকার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিস্তার শাখা নদীর শ্রোটের টানে এই নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে জীবনের ঝুকি নিয়ে।তারপরও গুনতে হয় ১০ টাকা করে। মাসে ৩০০ টাকায় পারাপার হতে হয়। এব্যাপারে সুন্দরগঞ্জে একটি তদন্তটীম গঠন করা হলেও আলোর মুখ দেখেনি।

এব্যাপারে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজির হোসেন বলেন,এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন থেকেও একটি তদন্ত টীম গঠন করা হয়েছে। কিন্তু তদন্তে কি এসেছে তা আমার জানা নাই।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com