নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের এক এসএসসি শিক্ষার্থীকে (১৬) নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা নাদিরা বেগম বাদি হয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেছেন।
শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে। আর ওই শিক্ষার্থী একই উপজেলার মামদপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল মতিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই ছাত্রী শনিবার সকাল ১০টার দিকে ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে যায়। দুপুর ২টার দিকে সাইফুল ইসলাম তার মেয়ে বাড়ি না ফেরায় বিদ্যালয়ে খোঁজ নিতে যান। সেখানে জানতে পারেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহম্মেদ তার মেয়েকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে চলে গেছে।
পরে তিনি জানতে পারেন মেয়ে ও প্রধান শিক্ষক রাজশাহীতে অবস্থান করছে। পরে প্রধান শিক্ষকের স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীর ভদ্রা এলাকার একটি বাসায় তাদের সন্ধান পান। এ সময় তার মেয়েকে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে প্রধান শিক্ষক এতে বাধা দেন। পরে তারা থানা পুলিশের কাছে গেলে ওই সুযোগে প্রধান শিক্ষক তার মেয়েকে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ওসি আরও বলেন, এই ঘটনায় রাতে গুরুদারপুর থানায় ওই শিক্ষার্থীর মা নাদিরা বেগম বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহম্মেদসহ তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেছেন।