শৈত্যপ্রবাহে কাহিল লালমনিরহাটের জনজীবন


লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে গত তিনদিন ধরে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। আরও দুইদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে এক অঙ্কে। রোববার সকাল নয়টায় ৭ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে যৌথভাবে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে।আবহাওয়া অফিসের ভাষায় ৬-৮ এর মধ্যে তাপমাত্রা বিরাজ করলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। সকাল ১০টার পর সূর্য্যরে দেখা মিললেও তাপ ছড়াতে পারেনি। এক্ষেত্রে দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে মাঝারি ধরনের এবং অন্যত্র মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।মধ্য মাঘের পর তাপমাত্রার পারদ দ্রুত নামছে। বাড়ছে শীতের দাপট।

ঘন কুয়াশা আর হাঁড় কাঁপানো কনকনে শীত এ জনপদের মানুষকে কাহিল করে ফেলেছে। গ্রামাঞ্চলে খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছে। হিমালয় থেকে ধেঁয়ে আসা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে আবহাওয়ার এমন রুপ দেখা দিয়েছে।

রাজারাহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, আগামী ২-৩ দিন এখানে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আজ লালমনিরহাটে। বাতাসের পরিমান বেড়ে যাওয়ার কারনে প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রার পারদ কমছে। যা এ মৌসুমেরও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এমন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এখন চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর জানান, সরকারি-বেসরকারি মিলে জেলায় ৪৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরো শীতবস্ত্রের চাহিদা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আরও শীতবস্ত্র বরাদ্দ পাওয়া যাবে। জেলা প্রশাসক সরকারের পাশাপাশি সকল বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিত্তবানদের শীতার্তদের রক্ষায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com