মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠালেন পুলিশ সুপার 


সাদুল্লাপুর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়া (২৫) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের উদ্যোগে জেলা পুলিশ এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়া উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাদুল্লাপুর থানা চত্বরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা ট্রাফিক পুলিশের (প্রশাসন) পরিদর্শক নূর আলম সিদ্দিক, সাদুল্লাপুর থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় প্রমূখ। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তৌহিদুল মিয়া গত ৫ বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় শহরে ঘোরাফেরা করতো। তার দরিদ্র পিতা রফিকুল ইসলাম অর্থাভাবে তৌহিদের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। বিষয়টি আমি (জেলা পুলিশ সুপার) জানতে পেরে তার চিকিৎসার এই সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহন করি। তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁকে এ সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আলীগের সহ-সভাপতি প্রভাষক আব্দুল জলিল, উপজেলা পুঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রভাত চন্দ্র অধিকারি, সাধারণ সম্পাদক কুষধ্বজ প্রামানিক, প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান পলাশ প্রমূখ। এর আগেও বিগত ২০২০ সালে ১৪ জুন সেলিম মিয়া নামে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পাবনায় মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ। সেখানে ৪ মাস চিকিৎসার পর তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর সেলিম কর্মহীন হয়ে পড়েন। পরে জেলা পুলিশ তাঁকে মালামালসহ একটি দোকানঘর ও নগদ টাকা প্রদান করে।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com