টাকা দিয়ে ক্যান্সারের জীবানু আচার কিনে খাচ্ছি না তো!


কক্সবাজার গেলে আচার ছাড়া কেউ খালি হাতে বাড়ি ফিরি না বললেই চলে, কিন্তু আমরা নিজের কষ্টের আয়ের টাকা দিয়ে ক্যান্সারের জীবানু কিনে খাচ্ছি না তো? গতকাল রাত ৮ টায় কক্সবাজার শহরের ফদনার ডেইল থেকে বার্মিজ ষ্টিকার লাগানো চার বস্তা ভেজাল আচারসহ কারখানার মালিক আব্দুল করিমকে আটক করেছে পুলিশ।

পরে অনুসন্ধান করে জানা যায়, এসব কারখানায় খাওয়ার অযোগ্য পচা বরই (কুল), মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল, গুড়, চিনি,কাপড়ের রং সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপকরণ দিয়ে আচার তৈরি করা হয়ে থাকে। তাও তৈরি করা হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে।সম্পূর্ণ অবৈধ কারখানাগুলোতে তৈরি ভেজাল আচার প্যাকেটজাত করা হয় মিয়ানমার ভাষায় ছাপানো নকল প্যাকেটে।

পর্যটক আগমনকে টার্গেট করে কক্সবাজার শহরে একটি চক্র কারখানায় ভেজাল আচার তৈরি করে তা বাজারজাত করে আসছে।

অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এসব ভেজাল আচারের প্যাকেটে লাগানো হয় উৎপাদনের মেয়াদ সংবলিত ভুঁয়া টিকিটও। এ ছাড়া লাগানো হয় মিয়ানমারের নকল লেবেল। সব প্রক্রিয়া শেষ করেই প্রতিদিন শহরের দুই ডজনের অধিক অবৈধ আচার তৈরির কারখানা থেকে বাজারজাত করা হচ্ছে লাখ লাখ প্যাকেট ভেজাল আচার।

আরও পড়ুন:মোবাইল ভাঙ্গা ও পূজা উদ্বোধন নিয়ে যা বলেন সাকিব (ভিডিওসহ)

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সুলতান আহমাদ সিরাজী জানান, বিভিন্ন কেমিক্যাল ও রং দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব আচার খাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধীরে ধীরে ক্যান্সারের মতো রোগও মানবদেহে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে রয়েছে।

তাই, আমরা একটু খাদ্য সম্পর্কে সচেতন হই। অনাকাঙ্খিত রোগ-ব্যাধী থেকে বাঁচার চেষ্টা করি।

বাংলাদেশ জমিন/কে.আই/ সংবাদটি শেয়ার করুন


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com