ফরিদপুরের সালথায় এই প্রথম একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য বাংলাদেশ জমিনকেকে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।
তৎক্ষণিক করোনায় আক্রান্ত রোগীর বাড়ি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ গ্রামে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস.এম ইফতেখার আজাদ, সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, তদন্ত অফিসার সুব্রত গোলদার।
এ সময় করোনায় আক্রান্তের বাড়ি ও পাশের বাজার লাল পতাকা দিয়ে লকডাউন করে দেন। সেই সাথে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তি ও স্থানীয়রা জানান, সে ফরিদপুর উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রিতে প্রথম বর্ষে লেখা পড়া করে। লেখা পড়ার পাশাপাশি সদরপুর উপজেলার হাটকৃষ্ণপুর বাজারে একটি ফার্মেসীতে কর্মচারী হিসেবে থাকতেন। করোনার কারণে এক মাস আগে বাড়িতে আসে।
তার এক বন্ধুর মাধ্যমে ১৭ মে সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে নমুনা দিয়ে আসেন। নমুনা রিেেপার্ট আসার পর তার করোনা ধরা পড়ে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আক্রান্তের বাড়িতে গিয়ে তার বাড়ি ও পাশের বাজার লকডাউন করা হয়েছে। পুলিশ সব সময় ঐ বাড়িটির খোজখবর রাখবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস.এম ইফতেখার আজাদ বলেন, এর আগে ফরিদপুরের সব কয়টি উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হলেও সালথা উপজেলায় কোন করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি। গত ৩ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
এরমধ্যে ১৭ মে ৬ জনের নমুনা রিপোর্ট পাঠানোর পর একটি রিপোর্ট পজেটিভ আসে। রিপোর্ট আসার পর আক্রান্তের বাড়ি ও তার পাশের বাজার লকডাউন করা হয়। বুধবার আক্রান্তের বাড়ির সবার নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার বলেন, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আক্রান্তের বাড়ি ও পাশে একটি বাজার লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। লকডাউনে থাকায় পরিবারের কোন প্রকার খাদ্য সমস্যা হলে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন