দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে অবাদে পার হচ্ছে প্রাইভেট গাড়ি


সহজে ফেরির টিকিট সংগ্রহ করতে পাড়ায় লকডাউন অপেক্ষা করে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে অবাদে নদী পারাপার হচ্ছে প্রাইভেটকার, মাক্রোবাস ও মটরসাইকেল। করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করার জন্য সরকার ২৫ মার্চ থেকে পণ্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স ছাড়া প্রাইভেটকার, মাক্রোবাস সহ সকল প্রকার গণ পরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেন। বন্ধ থাকে লঞ্চ।

তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স নদী পারাপার করার জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকে। এই সুযোগে প্রতিনিয়ত অবাদে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার, মাক্রোবাস ও শতশত মটরসাইকেল নদী পারাপার হচ্ছে। শতশত যাত্রীও নদী পারাপার হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের চেয়ে আজ ঢাকামুখি যাত্রী সীমিত।

ঢাকাগামী সবুজ আহমেদ বাংলাদেশ জমিনকে বলেন, প্রাইভেট ফার্মে চাকরী করি। যে কারণে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। কারণ না গেলে চাকরী থাকবে না। উভয় সংকটে আমাদের মত গরীব মানুষ।

ফরিদপুর থেকে গাজীপুরগামী আসমা বেগম বাংলাদেশ জমিনকে বলেন, চাকরী বাঁচাতে গাজীপুর যেতে হচ্ছে। পরিবারের বাঁচাতে হলে করোনার কথা ভাবলে কিভাবে চলবে। সুতরাং জীবনের ঝুঁকি থাকার পরও চাকরী বাঁচাতে যেতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহ ব্যবস্থাপক মো. মাহাবুব হোসেন বাংলাদেশ জমিনকে জানান, পণ্যবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্স নদী পারাপার করার জন্য সীমিত আকারে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হচ্ছে। এই সুযোগে সাধারণ মানুষ নদী পারাপার হচ্ছে। ফেরি চলাচল করলে সাধারণ মানুষ পারাপার হবেই। কারণ সাধারণ মানুষ পারাপার নিয়ন্ত্রন করেন ঘাট ইজারাদার।

বাংলাদেশ জমিন/ সংবাদটি শেয়ার করুন


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com