ঝিনাইদহে কৃষি জমির উপর অবৈধ মাটি বিক্রেতাদের নজর!


ঝিনাইদহে কৃষি জমির উপর নজর লেগেছে অবৈধ মাটি বিক্রেতাদের। কোন আইনের তোয়াক্কা করছে না এইসব অবৈধ মাটি বিক্রেতারা। তাদের নজর এখন উর্বর কৃষি ও ডাঙ্গা জমি। লক্ষ একটাই যে কোন ভাবেই হোক মাটি বিক্রয় করা। সে কৃষি জমি হোক কিংবা বশতবাড়ি। জমির মালিকে খুব কৌশল করে বুঝিয়ে সুজিয়ে তাদের চুক্তি করে মাটি বিক্রয় করেন।

কৃষি জমি থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রয় করে আসছিলেন মধুহাটি ইউনিয়নের জৈনিক এক মাটি বিক্রেতা। আবার কিছু অর্থলুভি কৃষক তাদের কৃষি জমি পুকুর খনন কিংবা টাকার বিনিময়ে এইসব অবৈধ মাটি বিক্রেতাদের কাছে চুক্তি করে দিচ্ছে।

সদর উপজেলার সাধুহাটি, মধুহাটি, সাগান্না ও হলিধানী ইউনিয়নে হরহামেশায় চলছে পুকুর খননের নামে ভেকু মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রয় হচ্ছে।এমনি এক অবৈধ মাটি বিক্রেতার সংবাদ পেয়ে সাংবাদিকদের একটি টিম যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২নং মধুহাটি ইউনিয়নের ৪৮ নং চান্দুয়ালী মৌজার মৃত খোকাই মন্ডলের ছেলে আবুল হোসেনের কৃষি জমিতে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে গিয়ে প্রথমে বাধাগ্রস্থ হতে হয় আলতাপ হোসেন নামের একব্যাক্তির কাছে। সে ২নং মধুহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক বলে দাবী করেন।

এরপর তার নিকট কৃষি জমির কোন শ্রেণীপরিবর্তন করেছেন কিনা, এই জমি পুকুর কাটার জন্য কোন পারমিশন আছে কিনা, ইউনিয়ন ভূমি অফিস জানে কিনা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমার কোন পারমিশন লাগে না। আমি আলতাপ হোসেন গোপালপুর ভাটার মালিক। আমি এই মাটি ভাটায় নিয়ে যাচ্ছি, আমার ভাটারতো অনুমোতি আছে। কৃষি জমির মাটির সাথে ভাটার সম্পার্ক কি তা সাংবাদিকদের বুঝতে একটু কষ্টই হল।

২নং মধুহাটি ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহাকারি কর্মকর্তা মোকলেসুর রহমান কাছে ফোন দিলে তিনি তাৎক্ষণিক ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। কোন অনুমোতি ছাড়াই মাটি কাটায় সকল কাজ বন্ধকরে দেন। অবৈধ মাটি বিকেতাদের সবকিছু সেখান থেতে সরানেরা নির্দেশ দেন। কিছুক্ষনের মধ্যেই ১টি ভেকু, ৪টি ট্রাক্টার ট্রলি সেখান থেকে সরাতে বাধ্য হন অবৈধ মাটি বিক্রেতা।


Copyright (c) 2019-2026 bzamin24.com