আজ রাজধানী ঢাকাতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে গতকাল ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানো হয়চলতি মাসে (জানুয়ারি) দেশের ওপর পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে বাড়তে পারে ঘন কুয়াশা। এ সময় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
বিশেষ জলবায়ু বার্তায় বলা হয়, চলতি মাসে ২-৩টি মৃদু থেকে মাঝারি (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে তীব্র (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
এ অবস্থায় আগামী দিনে শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণসহ দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহও বিরাজমান থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
জলবায়ু বার্তায় আরও বলা হয়, জানুয়ারিতে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘনকুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে কখনো কখনো কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘনকুয়াশার কারণে দিন এবং রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
এদিকে রোববার (৪ জুানয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, শৈত্যপ্রবাহের কারণে সোমবার (৫ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন বিভাগে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে আগত কুয়াশার বলয় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে প্রবেশ করেছে। ফলে রোববার সন্ধ্যার পর থেকে আবারও দেশব্যাপী কুয়াশার পরিমাণ ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।