বেড়েছে সঞ্চয়, চাঙা এজেন্ট ব্যাংকিং

  • অনলাইন
  • শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০১:২৮:০০

চাঁদপুরের কচুয়ার ইমদাদুল হক মিলন ঢাকায় চাকরি করতেন। করোনাভাইরাসের কারণে চাকরি হারিয়ে ফিরে গেছেন নিজের এলাকায়। সোনালী ব্যাংক থেকে জমানো টাকা তুলে বাসার পাশের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে জমা করেছেন।
ইমদাদুল হক মিলনের মতো আরও ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষ নতুন করে গত এপ্রিল-জুনে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার গ্রাহক হয়েছেন।

তাঁদের মধ্যে কেউ বাসার পাশে সেবা পাওয়ায় জন্য, আবার কেউ নতুন করে সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে এ সেবায় যুক্ত হয়েছেন। আবার প্রবাসী আয়ের টাকাও ঘরের পাশে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে জমা করেছেন অনেকে। এজেন্টদের মাধ্যমে এই সময়ে প্রবাসী আয় বিতরণ হয়েছে ৭ হাজার ১১৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতায় আমানত বেড়েছে ১ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘বাড়ি থেকে ব্যাংকের শাখা অনেক দূরে। এ জন্য টাকা তুলে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে জমা করেছি।’

করোনার এই সময়ে অনেক ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকলেও নিয়মিত খোলা ছিল এজেন্ট আউটলেট। ফলে নতুন এজেন্ট যেমন বেড়েছে, ঠিক একইভাবে বেড়েছে গ্রাহক ও আমানতের পরিমাণ।

একাধিক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, করোনার মধ্যে এক দিনের জন্যও এ সেবা বন্ধ ছিল না। অথচ অনেক ব্যাংক শাখা মার্চ–এপ্রিলে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ কারণে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ওপর মানুষের আস্থা বেড়েছে।

মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহসান-উজ জামান বলেন, ‘আমরা মাত্র ৪৭টি আউটলেটের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। করোনার মধ্যে সেখানে ১২ কোটি টাকা আমানত বেড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য