খুন করার পর শিখার বিবস্ত্র লাশ মাটি চাপা দেন মোকসেদ

  • অনলাইন
  • মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ ০৮:৫৯:০০

মোকসেদ আলীর কাছে ধার নেওয়া দেড় লাখ টাকা পেতেন শিখা আক্তার। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে তাদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। ওই প্রেক্ষিতে মোকসেদ টাকা ফেরত না দিয়ে শিখাকে গজারী বনের ভিতরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে সহযোগীদের নিয়ে বিবস্ত্র করে লাশ পুকুর পাড়ে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন। প্রায় দুই বছর আগে সংঘটিত ওই নারীর খুনের রহস্য মোকসেদ আলীসহ তার সহাযোগী জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে উদঘাটন করেছে পিবিআই। মঙ্গলবার বিকেলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। 

গ্রেপ্তার মোকসেদ আলী (৪২) গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকার মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে এবং জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৮) একই এলাকার মো. আলমাছ উদ্দিনের ছেলে। 

পিবিআইয়ের গাজীপুর ইউনিটটের ইনচার্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ২০১৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর মহানগরীর সদর থানার পোড়াবাড়ী পূর্বপাড়া (কোনাপাড়া) এলাকার জাকির হোসেনের পুকুর পাড়ে মাটিচাপা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর (৩২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুইদিন পর এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করে। পরে পুলিশ জানতে পারে লাশটি দুবাই প্রবাসী কাপাসিয়াল আড়াল গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী শিখা আক্তারের (৩২)। তিনি নগরীর ইপসা গেইট এলাকার আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পরে মামলাটি গাজীপুর পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্তের এক পর্যায়ে নগরীর বাসন থানার টেকনগপাড়া থেকে মোকসেদ আলীকে এবং পোড়াবাড়ির কোনাপাড়া থেকে সোমবার সকালে জাহাঙ্গীর হোসেনকে গেপ্তার করা হয়। মোকসেদ ও জাহাঙ্গীরকে নিয়ে শিখাকে হত্যার কথা স্বীকার করে জানায়।

ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে গরু কেনার জন্য তিনি শিখার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দূরত্ব সৃষ্টি হলে তিনি শিখাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য