কেরানীগঞ্জে পিঁয়াজের দাম অতিরিক্ত রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

  • শাহিন আহম্মেদ, (কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি) :
  • মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:০৮:০০

ভারতের পিয়াজ রফতানি বন্ধের খবরে বিক্রেতারা  রফতানি বন্ধের নানা অজুহাত দেখিয়ে  খেয়াল খুশিমতো দাম আদায় করছেন। এমন অভিযোগের পরই অভিযান চালিয়েছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায়  জিনজিরা  বাজারে  অভিযান পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান সোহেল।  এসময় ক্রয় রশিদ দেখাতে না পারা এবং বেশি দামে পিয়াজ বিক্রির অভিযোগে মো.সুরুজ ও আঃরহির নামে দুই দোকানদারকে ১হাজার টাকা   জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি মোকাম থেকে কিনে নিয়ে কেজি প্রতি ৮৫, ৯০ আবার কেউ কেউ ১০০ টাকা হারেও বিক্রি করছেন। এককথায় খুচরা দোকানে দামের তফাৎ প্রায় তিনগুণ। কোন কোন বিক্রেতা নিজের ইচ্ছেমত দাম  বাড়িয়ে দিয়েছেন। সোলায়মান নামে একজন ক্রেতা বলছেন,বর্তমানে দেশে দেশি-বিদেশি যে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে, তা দেশেই উৎপাদিত অথবা আগের স্বল্প মূল্যে কেনা পেঁয়াজ। দুদিন আগে যে পেঁয়াজ কিনেছি ৩৫টাকায়, আজ কীভাবে সেটা ১০০ টাকা হয়? ভারত রপ্তানি বন্ধ করেছে বুঝলাম, কিন্তুএই পেঁয়াজ তো আগেই কেনা। তাহলে এটার দাম বাড়ল কীভাবে?

দোকানদার ইয়াকুব আলী  অবশ্য দাবি করছেন, পাইকারি বাজার থেকে তাকে চড়া দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তিনিও বেশি দামে বিক্রি করছেন । উল্লেখ্য সেপ্টেম্বরের শুরুতে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা (খুচরা মুল্য) দরে বিক্রি হলেও এখানে ক্রমাগত বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর)  পেঁয়াজের খুচরা বাজারে কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ৩৫ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও একদিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কেজি প্রতি ৬০থেকে ৭০ টাকা হারে বেড়ে যায়। 

কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান সোহেল জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা সব সময় সুযোগ খুঁজে কখন পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা যায়।  আমরা কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই তাদের দিবনা । এ ধরনের অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

মন্তব্য